কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫ এ ০৬:০০ AM

ইতিহাস ও কার্যাবলি

কন্টেন্ট: পাতা

ইতিহাস (মন্ত্রণালয়ের গঠন ও বিবর্তন)

  • বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তি সময়ে ১৯৭২ সালে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় নামে দুটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
  • ১৯৮২ সালে দুটি মন্ত্রণালয় একীভূত হয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে খাদ্য বিভাগ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ নামে দুটি বিভাগ হয়।
  • ১৯৮৮ সালে পুনরায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগকে ত্রাণ মন্ত্রণালয় নামকরণ করা হয়।
  • ১৯৯৪ সালে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নাম হয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
  • ২০০৪ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়কে একীভূত করে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় করা হয়।
  • ২০০৯ সালে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের অধীন খাদ্য বিভাগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ গঠন করা হয়।
  • ২০১২ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগকে পুনরায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হিসেবে রূপান্তর করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রধান কার্যাবলী

১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আইন, নীতি ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন;

২. জরুরি মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সংক্রান্ত নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সকল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ডাটাবেস প্রস্তুত ও সংরক্ষণ;

৩. দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ এবং এর সাথে সষ্পৃক্ত স্থানীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সমন্বয় সাধন, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন;

৪. গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা), গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টেস্ট রিলিফ), দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ), জিআর (খাদ্য), নগদ অর্থ সহায়তা (জিআর), শীত বস্ত্র সহায়তাসহ এ ধরনের অন্যান্য কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুঃস্থদের দুর্দশা লাঘবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;

৫. অতিদরিদ্রদের ঝুঁকিহ্রাসকল্পে বছরের বিভিন্ন সময়ে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) বাস্তবায়ন;

৬. বৈদেশিক উৎস হতে প্রাপ্ত খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি মানবিক সহায়তা ব্যবহার ও বিতরণে সমন্বয় সাধন, উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত কার্যাবলি বাস্তবায়ন।

৭. শরণার্থী বিষয়ক কর্মসুচি বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সমন্বয় সাধন;

৮. দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস সহায়ক ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ;

৯. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিহ্রাস ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণে সতর্ক সংকেতসহ মোটিভেশন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক কার্যক্রম সম্পাদন।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন