দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ অক্টোবর ২০১৪

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ মন্ত্রণালয়ের সিটিজেন চার্টারের অন্তর্ভুক্ত নাগরিক সেবাগুলো দ্রুত জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছানোর জন্য গৃহিত উদ্যোগ সমুহ নিচে দেয়া হলো:

  • দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে এমন জনগোষ্ঠীকে সতর্ক করার জন্য মোবাইল ফোন ভিত্তিক ৩(তিন) ধরনের প্রযুক্তি  যথা: CBS, SMS ও IVR  নির্ভর দুর্যোগ সতর্কীকরণ পদ্ধতি প্রচলন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে:
    • IVR: মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দুর্যোগের আগাম বার্তা জনগণের চাহিদা মোতাবেক অবহিতকরনের জন্য Interactive Voice Response (IVR) নামক উদ্যোগটি গ্রহন করা হয়েছে। এখন যে কেউ সিটিসেল ব্যতীত যে কোনে মোবাইল অপারেটরে ১০৯৪১ ডায়াল করে আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য জানতে পারবেন।
    • CBS: নির্দিষ্ট এলাকার জনগনের নিকট দুর্যোগের সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছানোর জন্য মোবাইল ফোনের Cell Broadcasting (CB) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় প্রবণ কক্সবাজার এবং বন্যা প্রবণ সিরাজগঞ্জ জেলায় মোবাইল ফোনের CB প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুর্যোগের আগামবার্তা প্রেরণের পরীক্ষামূলক পাইলট অপারেশন শুরু করা হয়।
    • SMS Alert: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট দুর্যোগের আগাম সর্তক বার্তা পৌছানোর জন্য SMS Alter ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে । ইতিমধ্যে ৫৪টি জেলা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিবদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ডাটাবেইজ তৈরী করা হয়েছে।
  • Social Protection Management Information System (SPMIS): সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনী কর্মসূচীর সুষ্ঠু তদারকী ও নীতি নির্ধারনে সহায়তার জন্য বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ/বিতরণ কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্যাদি ডাটাবেইজ এ সংরক্ষন করার জন্য ওয়েবসাইট ভিত্তিক SPMIS প্রবর্তন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা অধিদপ্তরের জেলা ভিত্তিক কার্যক্রম ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করা হচ্ছে এবং এ পোর্টালটির  লিংক ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের পোর্টালের সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
  • Microzonation Map: আইসিটি নির্ভর Microzonation Map ভুমিকম্পের ঝুকি মুক্ত  নগরায়নের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যা শহরের ভৌত পরিকল্পনা, উপযুক্ত ভূমি ব্যবহার, নতুন নগরায়নের উপযুক্ত স্থান চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বিল্ডিং কোড হালনাগাদকরণ, পুরানো অবকাঠামো মেরামত/পূন: নির্মাণ/রেট্রোফিটিং কাজে ব্যবহার করা হয়।   ভূমিকম্প জনিত বিপদাপন্ন এবং ঝুঁকি বিবেচনা করে  দেশের ৩ (তিন) বড় শহর যথা:  ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট Microzonation Map তৈরী করা হয়েছে। দেশের ঝুঁকিপূর্ণ আরো ৬(ছয়)টি শহর যথা: টাংগাইল, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং রাজশাহীর Microzonation Map তৈরীর কাজ ২০১৪ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
  • Cyclone Shelter Database: উপকূলীয় অঞ্চলে নির্মিত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাদি ওয়েবসাইট ভিত্তিক ডাটাবেইজে সংরক্ষন করা হয়েছে। এ ডাটাবেইজটিতে আশ্রয়কেন্দ্রগুলির কাঠামোগত  এবং আনুষাঙ্গিক তথ্য যেমন: ভৌগলিক অবস্থান (অক্ষাংশ/দ্রাঘিমাংশ), ব্যবহার উপযোগিতা, ধারনক্ষমতা, ইত্যাদি সংরক্ষন করা হয়েছে। এ ডাটাবেইজটির তথ্য ব্যবহার করে নতুন ঘূর্নিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মানের সঠিক স্থান নির্ধারণ করা, ঘূর্ণিঝড়ের সময় লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার জন্য উপযুক্ত পথ নির্ধারন করা এবং আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা ও মেরামতের প্রয়োজনীয়তা নিরুপণ করা যাবে।
  • Inundation Map/Risk Map for Storm Surge: বাংলাদেশের দক্ষিন উপকূলীয় অঞ্চল প্রায় প্রতি বছর ঘূর্নিঝড় জনিত জলোচ্ছাসে প্লাবিত হয়, ফলে জীবন-জীবিকা এবং অবকাঠামোর ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য দেশের দক্ষিন উপকূলীয় অঞ্চলের জলোচ্ছাস জনিত বন্যার স্থান ভিত্তিক গভীরতার তথ্য নির্ভর  Inundation Map/Risk Map for Storm Surge তৈরী করা হয়েছে, এ মানচিত্র হতে এ সকল এলাকার ঘর বাড়ীর ভিটা কতটুকু উঁচু করতে হবে, আশ্রয়কেন্দ্র, রাস্তা বা অন্যান্য অবকাঠামো কতটুকু উঁচু তে করতে হবে,  তার ধারনা পাওয়া যাবে।

Share with :
Facebook Facebook